আনসার সদস্যকে হত্যার পর রোহিঙ্গা বলে চালিয়ে দেয় ওসি প্রদীপ

পুলিশের গুলিতে নিহত আনসার সদস্য মো: নুরুল আলম

তানভীর শাহরিয়ার:

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর বেরিয়ে আচ্ছে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপের নানা কাহিনী ও নির্মমভাবে গণহত্যার শিকার হওয়া দৃশ্য। যা এতদিন ধরে ওসি প্রদীপের ভয়ে সাহস করে কেউ বলতে পারেনি।

আনসার সদস্য মো: নুরুল আলমের পরিচয় পত্র

এমনই একটি দৃশ্য সামনে এল, সম্প্রতি টেকনাফে বন্দুক যুদ্ধে রোহিঙ্গা ডাকাত হাকিম বাহিনীর ৩ সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে। যা পুরো দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়, কিন্তু ওই হত্যাকাণ্ডে রোহিঙ্গা ডাকাত বলে চালিয়ে দেওয়ার হিড়িক জমিয়েছে টেকনাফের কথিত ওসি প্রদীপ।

আসলে কি তারা রোহিঙ্গা ছিল? জানাগেছে, ওই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে ইয়াবা কারবারি গিয়াস বাহিনীর রোষানলে ওসি প্রদীপ ও এসআই মশিউর রহমানের হাতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী জুম্মা পাড়া এলাকার বাসিন্দা হাফেজ আবদুল মজিদের পুত্র বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য মোঃ নুরুল আলম, যার আইডি নং ছিল (৬১০০৫৭৫২৮)।

অথচ নুরুল আলমকে রোহিঙ্গা ডাকাত বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয় অপর দুই জনও টেকনাফের স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানাগেছে। এখন প্রশ্ন হলো সেদিন ওসি প্রদীপ ও এসআই মশিউর তাদের কেন রোহিঙ্গা ডাকাত বলে চালিয়ে দিয়েছিল?

টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ

শুধু সাবেক মেজর (অব:) সিনহা ও আনসার সদস্য নুরুল আলম নয় ওসি প্রদীপ বাহিনীর হাতে নির্মম ভাবে গণহত্যার শিকার হয়েছে সীমান্ত জনপদ টেকনাফ ও উখিয়ার প্রায় দুই শতাধিক মানুষ। অনুসন্ধানে উঠে আসছে রহস্যজনক সব ঘটনা।

বিডি/কক্স