চকরিয়ায় মা-মেয়েকে নির্যাতনের ঘটনায় চেয়ারম্যানকে বাঁচাতে বিক্ষোভ

চকরিয়া প্রতিনিধি:

চকরিয়ার হারবাংয়ে গরু চুরির অভিযোগে মা-মেয়ের ওপর বর্বর নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি ইউপি চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম মিরানকে বাঁচাতে নাঠে নামানো হয়েছে নারী-পুরুষদের।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের হারবাং স্টেশনে অনুষ্ঠিত হয় মানবন্ধন ও বিক্ষোভ।

এতে ওই দিনের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ওঠে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে চেয়ারম্যানকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি প্রদানের আহবান জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আবু মুছা, সদস্য আজিম উদ্দিন, অধ্যাপক সুলতান আহমদ, হারবাং ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি জাহেদুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা নাঈম উদ্দিন, চকরিয়া-পেকুয়া ছাত্রফোরামের সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসাইন, ছাত্রনেতা রিফাত, বোরহান, নোমান, মোক্তার আহমদ প্রমূখ। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইলিয়াছ, সৈয়দ নূরসহ পরিষদের সকল সদস্য অংশ নেন।

এর আগে একই দাবিতে গত বুধবার (২৬ আগস্ট) কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনকে স্মারকলিপি দেন বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ এসোসিয়েশন চকরিয়া শাখা। এদিন কক্সবাজারে সাংবাদিক সম্মেলনও করেন তারা।

গত ২১ আগস্ট হারবাংয়ের দক্ষিণ পহরচাঁদা এলাকায় মা-মেয়েসহ ৫জনকে এক রশিতে বেঁধে নির্যাতন করা হয় । এ ঘটনায় ভিকটিম পারভিন আকতার বাদি হয়ে চেয়ারম্যানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ২৫ আগস্ট চকরিয়া থানায় মামলাটি করেন। মামলা নং -জিআর ৩৫৭/২০। মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামী রয়েছে আরও ২০/৩০ জন।

মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন- উত্তর হারবাং বিন্দারবানখীল এলাকার মাহবুবুল হকের ছেলে নজরুল ইসলাম (১৯), ইমরান হোসেনের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩০) ও জিয়াবুল হকের ছেলে নাছির উদ্দিন (২৮)।

গত ২৩ আগস্ট দিবাগত রাতে এই তিন আসামী গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেলা কারাগারে রয়েছে।

চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম মিরান আত্মগোপনে রয়েছেন। পুলিশের কয়েকটি টিম তাকে হন্য হয়ে খোঁজছে।

বিডি/কক্স