ছাত্রীকে ধর্ষণের পর কাউকে ‘না বলতে’ ওয়াদা করান মাদ্রাসা সুপার

নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোরের বড়াইগ্রামে ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের পর কাউকে না বলতে ওয়াদা করান মাদ্রাসা সুপার ইসমাইল হোসেন (৩৪)। ধর্ষণের অভিযোগে শনিবার বিকালে তাকে আটক করে পুলিশ।

আটক ইসমাইল হোসেন বনপাড়া কালিকাপুর উম্মে হাতুন মুমিনীন মহিলা আবাসিক মাদ্রাসার সুপার। তিনি জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার বৃ-চাপিলা গ্রামের আব্দুল লতিফ প্রামাণিকের ছেলে।

বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর তৌহিদুল ইসলাম জানান, করোনার ছুটির আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ইসমাইল হোসেন ওই ছাত্রীকে বেসিন পরিষ্কার করার কথা বলে নিজের ঘরে ডেকে নেন।

পরে সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় সুপার ওই ছাত্রীকে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য ওয়াদা করান। ইতোমধ্যে করোনার কারণে মাদ্রাসা ছুটি হয়ে গেলে মেয়েটি তার নিজ বাড়িতে চলে যায়।

সব সময় মন খারাপ করে থাকায় বাবা-মায়ের চাপে এক পর্যায়ে সে সবকিছু স্বীকার করে। পরে শনিবার তার বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে ইসমাইল হোসেনকে স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করে পুলিশ।