টেকনাফে বিপুলপরিমাণ অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক

বিশেষ প্রতিবেদক:

টেকনাফে বিজিবি জওয়ানেরা অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্রাদি উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় ডাকাত নুরুল আমিনসহ ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণ এলাকার শান্তি-শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে বৃহত্তর রঙ্গিখালী এবং উলুচামরী এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, খুনী, ডাকাত সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।

বিজিবি সুত্র জানায়, গত ২ অক্টোবর সকাল ৮টার দিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হ্নীলা উলুচামরী কোনার পাড়ায় এলাকায় একটি বসত-বাড়ি ঘেরাও করে অভিযান চালিয়ে ৬টি দেশীয় তৈরী একনলা বন্দুক, ১০ রাউন্ড তাঁজা কার্তুজ, ৯ রাউন্ড খালি খোসা, ৪ রাউন্ড করে রাইফেলস ও এসএমজির এ্যামুনেশন, ৪ রাউন্ড রকেট প্যারাসুট প্লেয়ার, ১টি পুলিশ বেল্ট ও ১টি মোবাইল উদ্ধার করে।

এসময় উলুচামরী কোনার পাড়া এলাকার মোহাম্মদ শফির পুত্র নুরুল আমিন (৩২), আনোয়ার হোছন (২১), রঙ্গিখালী মাদ্রাসা পাড়ার মৃত মোজাফ্ফর আহমদের পুত্র নজির আহমদ (৫০) এবং উলুচামরী কোনার পাড়ার মৃত হাজী রুহুল আমিনের পুত্র জাফর আলম (৪২) কে আটক করে।

এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের পর জব্দকৃত অস্ত্রাদিসহ ধৃতদের টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে বলে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) নিশ্চিত করেন।

উপরোক্ত বিষয়ে আলীখালী, রঙ্গিখালী, গাজী পাড়া এবং উলুচামরী কোনার পাড়ার সাধারণ মানুষ জানান, আমাদের এলাকায় মাদক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ, মেম্বার নির্বাচনের গ্রুপিং এবং আধিপত্য বিস্তারের কারণে একাধিক স্বশস্ত্র গ্রুপের সৃষ্টি হয়েছে।

তাদের স্বশস্ত্র গ্রুপের সদস্যদের চোরাগুপ্তা হামলা, পাল্টা হামলা, খুনাখুনি, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়, চাঁদাবাজিতে নিরীহ সাধারণ মানুষ চরমভাবে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এরা সময়-সুযোগে প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকে।

এই অপকৌশলের খপ্পরে পড়ে অনেক সাধারণ মানুষের জীবন দূর্বিষহ হওয়ার পাশাপাশি অনেক পরিবার নিশ্চিত হয়ে যায়। তাই সাধারণ মানুষের স্বার্থে অপরাধী যে পক্ষেরই হোকনা কেন সবাইকে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে আইনের আওতায় আনা হলে সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিডি/কক্স