প্রদীপ, লিয়াকত, নন্দলালকে ঘটনাস্থলে নেওয়া হচ্ছে

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যা মামলার রিমান্ডে থাকা মূল ৩ আসামিকে ঘটনাস্থল মেরিন ড্রাইভ রোডের টেকনাফের বাহারছরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নিকটে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

২১ আগস্ট শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) র‍্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম তাদের সেখানে নিয়ে যাবেন। র‍্যাব-১৫ এর নিজস্ব গ্রুপের পেইজে দেওয়া এক ক্ষুদে বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

যাদেরকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে তারা হলো-রিমান্ডে থাকা বরখাস্ত হওয়া টেকনাফ মডেল থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বরখাস্ত হওয়া ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী ও বরখাস্ত হওয়া এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত।

এই ৩ আসামিকে গত ১৮ আগস্ট সকাল ১১ টা ২০ মিনিটের দিকে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যায় তাঁর বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস এর করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (IO) র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক সিনিয়র পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম তার হেফাজতে নিয়ে যায়।

এ তিন জন আসামীকে ৭দিন রিমান্ড করা হবে। গত ৬ আগস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত শুনানি শেষে এ তিন জন আসামীর প্রত্যেককে ৭দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

গত ৩১ জুলাই খুন হওয়া মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খানের বড়বোন ও মোঃ শামসুজ্জামানের সহধর্মিণী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস (৪২) বাদী হয়ে চাকুরী থেকে বরখাস্ত হওয়া প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলী, নন্দলাল রক্ষিত, সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া সহ ৯জনকে আসামী করে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ৫ আগস্ট সকালে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।

যার টেকনাফ থানার মামলা নম্বর : ৯/২০২০, জিআর মামলা নম্বর : ৭০৩/২০২০ ইংরেজি (টেকনাফ)। এছাড়া সিনহা হত্যাকান্ডের পর টেকনাফ মডেল থানায় পুলিশের দায়েরকৃত জিআর ৫৯৬/২০২০ এবং ৫৯৭/২০২০ নম্বর মামলা ২টিও বিজ্ঞ আদালতের আদেশে র‍্যাব-১৫ তদন্ত করছে।

বিডি/কক্স