বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ ও দুই ছাত্রের মুক্তির দাবিতে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে ও স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মুক্তির দাবিতে এক সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেল ৪ টায় কক্সবাজার পৌরসভা চত্বরে ওই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়৷ কক্সবাজারের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মীরা ওই সমাবেশের আয়োজন করে।

এতে বক্তারা বলেন, পুলিশের সবচেয়ে বড় কর্তা মহাপরিদর্শক বলেছেন ক্রসফায়ার এনজিওরা বলেন। উক্ত মন্তব্য করার মধ্য দিয়ে মূলত কথিত বন্দুকযুদ্ধ নামক যে বিচার বহির্ভূত হত্যাকা- চলে, তা জায়েজ করে গেলেন এবং ভবিষ্যতের জন্য গ্রীণ সিগন্যাল দিয়ে গেলেন।

ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা সৌরভ দেব বলেন, ‘খেয়াল করলে দেখবেন, মেজর সিনহাকে মারার পর পুলিশ মামলার এজাহারে যে কাহিনী লিখেছে, অন্যান্য কথিত বন্দুকযুদ্ধগুলোর ক্ষেত্রেও স্ক্রিপ্ট তেমন একটা ব্যতিক্রম হয়না।

তাহলে এখন কি দাঁড়ালো? সিনহা যদি সেনাবাহিনীর না হতেন তাহলে পুলিশের উপর এতো চাপ পরতো না এবং অন্যান্য ঘটনাগুলোর মতো এটাও এজ ইজুয়েল ধামাচাপাই পরে যেতো’।

সোজাসাপ্টা কথা, ‘রাষ্ট্রের আইন আদালত থাকা অবস্থায় কোনো বাহিনীর বন্দুকের নলে নাগরিকের বিচার হতে পারেনা। সে যতোবড় অপরাধীই হোক’।

শ্রমিক নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতা সাংবাদিক এইচএম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মেজর সিনহাসহ সকল বিচারবহির্ভূত হত্যার বিচার বিভাগীয় সুষ্ঠু তদন্ত করে যারা জড়িত সর্বনিম্ন থেকে সর্বোচ্চ পর্যন্ত ক্ষমতাধর, যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

একই সাথে মাদক বিরোধী অভিযান যেন চলমান থাকে তারজন্য প্রয়োজনে যৌথ বাহিনী গঠন করে প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।

মেজর হত্যার পরবর্তী সাজানো মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মামলা প্রত্যাহার করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান তিনিসহ বক্তারা।

খেলাঘর সংগঠক এম জসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাবেক ছাত্রনেতা পাভেল দাশ’র পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সত্যেন সেন শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মনির মোবারক, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি অর্পণ বড়ুয়া, জেলা উদীচীর সহকারী সাধারণ সম্পাদক জুয়েল কুমার ধর অর্জন।

উপস্থিত ছিলেন, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সহ সভাপতি রাহুল মহাজন, জেলা উদীচীর সম্পাদক মন্ডলির সদস্য রাজু দাশ, তর্পনা দে, মো. আবছার, শ্রমিক নেতা রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে মোহাম্মদ হাসান, মোঃ পারভেজ, মোহাম্মদ জাবেদ, মোঃ আবুল হাশেম পুত, মোঃ সোহেল, মোহাম্মদ হাবিব, রিয়াজ উদ্দিন তারেক, মোঃ কামাল, অনুপম, মোঃ রুবেল, মোঃ আহাদ, পুবন প্রমুখ।

বক্তারা স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর শর্তহীন মুক্তি দাবি করেন।

বিডি/কক্স