মহামারি কবে বিদায় নেবে জানালেন ডব্লিউএইচও প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আগামী দুই বছরের মধ্যে করোনা মহামারি বিদায় নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।

এদিকে, আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় গেলে যুক্তরাষ্ট্রে ভাইরাস মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন।

গেলো সপ্তাহেই করোনা মহামারির উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে হাজারো মানুষ। ভাইরাস কাটিয়ে শহরটি স্বাভাবিক নিয়মে ফেরায় এ পার্টির আয়োজন বলে জানান আয়োজকরা। তবে, তিন দিনের মাথায় আবারও চীনে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। শুক্রবার দেশটিতে নতুন করে ২২ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়।

এদিন উহানের এক গবেষক দাবি করেন, করোনার জন্য বিশ্ব তাদের দোষারোপ করলেও এমন ভাইরাস নিয়ে কোনোদিন ল্যাবে গবেষণা করেননি তারা।

গবেষক শি জেংলি বলেন, ‘আমাদের ল্যাব এমনভাবে তৈরি যেখান থেকে কোনো কিছু ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা একদম নেই। করোনার ভাইরাস তো অন্য বিষয়। শতভাগ নিশ্চিত হয়েই বলছি ২০১৯ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের ল্যাবে এমন ভাইরাসের কোনো অস্তিত্ব ছিলোই না। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ আছে।’

এদিকে, করোনার বিস্তার রোধে দক্ষিণ কোরিয়ায় চার্চ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জনসমাগম নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। আর মহররম উপলক্ষে ইরাকের কারবালাতে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এরমধ্যেই করোনা নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান আধানম গ্যাব্রিয়েসুস।

তিনি বলেন, ‘আমরা যেভাবে স্বাভাবিকে ফিরে যাচ্ছি এতে করে ভাইরাসটি আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। তবে, এটাও ঠিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে একে আটকানো সম্ভব। সবাই মিলে সঠিক পদক্ষেপ নিলেই দুই বছরের মধ্যে ভাইরাসটি মোকাবিলা করা সম্ভব।’

যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে এক হাজারের বেশি মানুষ ভাইরাসটিতে মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি। দেশটিতে ভাইরাস মোকাবিলায় নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পদপ্রার্থী জো বাইডেন।

তিনি বলেন, দেশের মানুষের জীবন বাঁচাতে সব ব্যবস্থা নেবো আমি। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত পুরোপুরি লকডাউন করা হবে। কেউ যাতে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে না পারে সে ব্যবস্থা করবো। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে ভাইরাসকে মোকাবিলা করতেই হবে।

এদিকে, লাতিন আমেরিকান দেশগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা। নতুন করে ইউরোপেও বাড়ছে করোনার সংক্রমণ।

 বিডি/আ