মা-বাবাকে কুপিয়ে স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

মা-বাবাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে স্থানীয় দূরবৃত্তরা। স্থানীয় সংঙ্গবদ্ব মুখোশধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রোববার মধ্যরাতে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় ওই স্কুলছাত্রীর বাড়ির দরজা ভেঙে মুখোশ পরিহিত তিন যুবক ঘরে ঢুকে। সে সময় বিদ্যুৎ ছিল না। কিছু বুঝে উঠার আগেই ওই যুবকরা মেয়েটির বাবাকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

এ সময় মেয়েটির মা এগিয়ে এলে তাঁকেও মারপিট করে খাটের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। পরে ওই কক্ষের আলমারির দরজা খুলে নগদ দুই লাখ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে নেয় মুখোশ পরিহিত যুবকরা।

এরপর দরজা ভেঙে নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর ঘরে ঢোকে। মেয়েটির মুখ বেঁধে পাশের একটা বাগানে নিয়ে গণধর্ষণ করে ওই যুবকরা। পরে তারা মেয়েটিকে রেখে পালিয়ে যায়।

আজ সোমবার সকালে এলাকাবাসী স্কুলছাত্রী ও তাঁর গুরুতর অসুস্থ বাবাকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

স্থানীয়দের ধারণা, এ ঘটনার সঙ্গে এলাকারই লোকজন জড়িত রয়েছে।

খবর পেয়ে আজ বিকেলে কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান, সহকারী পুলিশ সুপার উৎপল কুমার ও রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনায় রাজারহাট থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

বিডি/ঢা