সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত : রাসূলের বানী প্রচার করে বিশ্ববাসীকে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহব্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে (৩০ অক্টোবর) শুক্রবার রাজধানীসহ সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত ও বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর প্রতি ফ্রান্সে অবমাননার প্রতিবাদ করা হয়েছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবসই হচ্ছে বিশ্বের মুসলিম সম্পদ্রায়ের কাছে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। যা প্রতি বছর একইভাবে পালন কর হয়ে থাকে।

পবিত্র ইদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষ্যে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ বিভিন্ন মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে বয়ানে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়েছে।

এই ছাড়াও বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.)কে নিয়ে ফ্রান্সে ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শনী প্রকাশ করায় ধর্মপ্রাণ মুসলিমগণ তার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ধর্মীয় সমমনা দলের নেতৃবৃন্দরা বলেছেন। বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্টা করতে হলে একমাত্র আল্লাহর প্রিয় নবী করিম (স.) দেখানো পথ অনুসরন করতে হবে। কোন ধর্মের প্রতি অবমাননা করা যাবে না। সকল ধর্মের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম ধর্মে শান্তির বানী প্রচার করে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্টার জন্য বিশ্ববাসীকে আহব্বান জানানো হয়।

জুমার নামাজের সময় রাজধানীর নানা জায়গায় জসনে-জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে খন্ড-খন্ড মিছিল বের হতে দেখা যায়।

মুসলিম উম্মার এই গুরুত্বপূর্ণ দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার পৃথক বাণীতে তারা উভয়েই দেশবাসীসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

মূলতঃ আরবি সালের ১২ রবিউল আওয়াল মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস । আরবি মাসের হিসেব শুরু হয় সন্ধ্যা রাত থেকে।

এজন্য, ১২ রবিউল আওয়াল শুরু হওয়ার পর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা রাত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ এবং বাসবাড়িতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে কোরআন খতম ও জিকির-আজগারের বিশেষ মোনাজাতে নিজ-নিজ পরিবারের সদস্য এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের বিশেষ রহমত কামনা করেন।

এদিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে আজ শুক্রবার বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এ দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতার এবং অন্যান্য স্যাটেলাইট টেলিভিশন বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে এবং করছে।

অপরদিকে আজ ছিল সরকারি ছুটি । তবে সাপ্তাহিক ছুটির কারণে সরকারি ছুটির গুরুত্ব বোঝা যায়নি।